Nafees Bin Zafar, the first Bangladeshi to win an Oscar, has received another Academy Award for his contribution to the movie industry!
Proud of you Nafees!
Thursday, February 12, 2015
ডাঃ জোবায়দা রহমান
আমাদের জোবায়দা রহমানঃ
কথায় বলে, “যে দেশে গুণীর কদর নেই, সে দেশে গুণী জন্মায় না”। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ বর্তমানে এর প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ।
ডাঃ জোবায়দা রহমান কে আমরা অনেকেই শুধু চিনি সাবেক প্র্রধানমন্ত্রীর পুত্রবধু কিংবা নৌবাহিনীপ্রধান মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা হিসাবে। এ পরিচয়ের কারণে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়েও তিনি হয়েছেন রাজনৈতিক হয়রানির শিকার। কিন্তু এর বাইরে ডাঃ জোবায়দা রহমান এর পরিচয় আছে যে পরিচয়ে তিনি আপন মহিমায় ভাস্বর, আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল।
ডাঃ জোবায়দা রহমান শিক্ষা জীবনে কখনো দ্বিতীয় হন নি - না দেশে না বিদেশে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর ইতিহাসে ডিস্টিংশনসহ সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন ডাঃ জোবায়দা। অত্যন্ত লোভনীয় স্কলারশিপ ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার এর হাতছানি সত্ত্বেও অন্য দিকে না গিয়ে মানব সেবার মহান ব্রত নিয়ে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারী চাকুরিতেই ডাক্তার হিসাবে যোগদান করেছিলেন তিনি ১৯৯৫ সালে।
জোবাইদা রহমানকে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরির অফার দেওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে প্রফেসর হিসাবে যোগ দিতে বলা হয় গত বছর। ওই সময়ে তিনি ওই বিশ্বদ্যিালয় থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। সেখানে তিনি সব বিষয়ে ডিসটিংসন পেয়ে পাস করেন। তিনি ৫৩টি দেশের মধ্যে প্রথম হন। ওই সময় তাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদানের অফার দিলেও তিনি দেশে ফিরে আসবেন এই আশায় বিদেশি কোনো চাকরিতে যোগ দেননি।
এ বিশ্ববিদ্যালয় হতেই পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন ডাঃ জোবায়দা ও ৫৩টি দেশের ছাত্রছাত্রীর মধ্যে প্রথম হন। কমনওয়েলথেও প্রথম হন। এরপর তাকে প্রফেসর হওয়ার জন্য অফার দেওয়া হয়। তিনি সেটা গ্রহণ করেননি। তার মেধা তিনি দেশের কাজে লাগাতে চান। এই কারণে বিদেশে পড়ালেখা করলেও চাকরি করেননি।
এমন একজন মেধাবীকে সরকারী চাকুরী হতে বরখাস্ত করা হল স্রেফ রাজনৈতিক আক্রোশের কারণে। আইন না মেনেই এ চাকুরীচ্যূতি। এমনকি ডাঃ জোবায়দাকে এ বিষয়ে কোনো চিঠিও ইস্যূ করা হয় নি নিয়মানুযায়ী।
সংসদে কোনো সরকারী কর্মকর্তার চাকুরীচ্যূতির খবর ঘোষণা করার মত অভিনব ও হাস্যকর ঘটনা ইতোপূর্বে ঘটে নি, ডাঃ জোবায়দার ক্ষেত্রে সেটা ঘটেছে। এটি স্রেফ বিদ্বেষপ্রসূত ও ডাঃ জোবায়দার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্মান হানির অপউদ্দেশ্যে করা হয়েছে-তা বলাই বাহুল্য। এ ঘৃণ্য কাজের ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই।
source:
যেড ফোর্স আন্দোলন সেল Z-Force Andolon Cell
ডাঃ জোবায়দা রহমান কে আমরা অনেকেই শুধু চিনি সাবেক প্র্রধানমন্ত্রীর পুত্রবধু কিংবা নৌবাহিনীপ্রধান মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা হিসাবে। এ পরিচয়ের কারণে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়েও তিনি হয়েছেন রাজনৈতিক হয়রানির শিকার। কিন্তু এর বাইরে ডাঃ জোবায়দা রহমান এর পরিচয় আছে যে পরিচয়ে তিনি আপন মহিমায় ভাস্বর, আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল।
ডাঃ জোবায়দা রহমান শিক্ষা জীবনে কখনো দ্বিতীয় হন নি - না দেশে না বিদেশে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর ইতিহাসে ডিস্টিংশনসহ সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন ডাঃ জোবায়দা। অত্যন্ত লোভনীয় স্কলারশিপ ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার এর হাতছানি সত্ত্বেও অন্য দিকে না গিয়ে মানব সেবার মহান ব্রত নিয়ে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারী চাকুরিতেই ডাক্তার হিসাবে যোগদান করেছিলেন তিনি ১৯৯৫ সালে।
জোবাইদা রহমানকে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরির অফার দেওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে প্রফেসর হিসাবে যোগ দিতে বলা হয় গত বছর। ওই সময়ে তিনি ওই বিশ্বদ্যিালয় থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। সেখানে তিনি সব বিষয়ে ডিসটিংসন পেয়ে পাস করেন। তিনি ৫৩টি দেশের মধ্যে প্রথম হন। ওই সময় তাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদানের অফার দিলেও তিনি দেশে ফিরে আসবেন এই আশায় বিদেশি কোনো চাকরিতে যোগ দেননি।
এ বিশ্ববিদ্যালয় হতেই পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন ডাঃ জোবায়দা ও ৫৩টি দেশের ছাত্রছাত্রীর মধ্যে প্রথম হন। কমনওয়েলথেও প্রথম হন। এরপর তাকে প্রফেসর হওয়ার জন্য অফার দেওয়া হয়। তিনি সেটা গ্রহণ করেননি। তার মেধা তিনি দেশের কাজে লাগাতে চান। এই কারণে বিদেশে পড়ালেখা করলেও চাকরি করেননি।
এমন একজন মেধাবীকে সরকারী চাকুরী হতে বরখাস্ত করা হল স্রেফ রাজনৈতিক আক্রোশের কারণে। আইন না মেনেই এ চাকুরীচ্যূতি। এমনকি ডাঃ জোবায়দাকে এ বিষয়ে কোনো চিঠিও ইস্যূ করা হয় নি নিয়মানুযায়ী।
সংসদে কোনো সরকারী কর্মকর্তার চাকুরীচ্যূতির খবর ঘোষণা করার মত অভিনব ও হাস্যকর ঘটনা ইতোপূর্বে ঘটে নি, ডাঃ জোবায়দার ক্ষেত্রে সেটা ঘটেছে। এটি স্রেফ বিদ্বেষপ্রসূত ও ডাঃ জোবায়দার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্মান হানির অপউদ্দেশ্যে করা হয়েছে-তা বলাই বাহুল্য। এ ঘৃণ্য কাজের ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই।
source:
যেড ফোর্স আন্দোলন সেল Z-Force Andolon Cell
Subscribe to:
Posts (Atom)
